ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

এর আগে জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেছিল ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এ সময় রাজধানীর শাহবাগ মোড়ের পাশে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ ৩০ জনেরও বেশি আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।

পুলিশের লাঠিপেটা-টিয়ারশেল, ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরসহ আহত ২৩

আন্দোলনকারীদের দাবি, জাবের গুলিতে আহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ডাকসু নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমা ও রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ অনেকে। আহত অন্যদের মধ্যে আম্মার, ঝুমা, মনির, ফয়সাল, জয়, জুলকার, মোশারফ, নিলয়, অনিক, ওমর, রাহাত, রাসেল, আহমেদ, মাহিন, শামীম, আজাদ, সোহেল, শাওনের নাম জানা গেছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে জানা যায়, সংঘর্ষে আহত হয়ে অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন, তারা হলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ডাকসুর নেত্রী ফাতেমা তাসনিম ঝুমা, রাকসুর নেতা সালাউদ্দিন আম্মার, মনির, ফয়সাল, জয়, জুলকার, মোশাররফ, নিলয়, অনিক, উমর, রাহাত, রাসেল, আহাদ, মাহিন, আজাদ, শামিম, সোহেল, শাওন, জাবেদ ও শামিম।

হাসপাতালে আহত ইনকিলাব মঞ্চের একাধিক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পুলিশ আমাদের ওপরে বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ করে, জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড নিক্ষেপ করেছে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব জাবেরসহ আন্দোলনকারীরা আহত হয়েছেন। পাশাপাশি জাবেরের পায়ে গুলি লাগে।’

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহতের সংখ্যা আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ জন হতে পারে এই সংখ্যা আরও বাড়তেও পারে। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এদের মধ্যে কেউ গুরুতর আহত নন। কী ধরনের আহত সে বিষয়গুলো চিকিৎসকরা পরে জানাবেন।